সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪
Online Edition

হাহাকার চাপা পড়ে যাচ্ছে

আলী আহমাদ মাবরুর

মানুষের জীবনে দুর্ভোগের অন্ত নেই। নিজের বাসায় থাকতে গিয়েও নাগরিকেরা নানা সমস্যায় ভুগছে। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটে তারা নাজেহাল হয়ে আছে। অথচ ইউটিলিটি বিল বেড়ে গেছে আগের তুলনায় কয়েকগুণ। আবার বাসা থেকে বের হয়ে দেখছে নগরজুড়ে পানি, স্যাঁতস্যাঁতে কাঁদা। সড়কজুড়ে তীব্র যানজট অথচ প্রয়োজনের তুলনায় গণপরিবহনের সংকট। বাজারে গেলে দেখছে জিনিসপত্রের দামে আগুন। কোনো সবজিই এখন ১০০ টাকার নীচে নেই। মাছ, গোশত যেন ধরা ছোঁয়ার বাইরেই চলে গিয়েছে। এরকম যখন সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের জীবন, ঠিক সে সময়েই গুটিকয়েক মানুষের অবৈধ পথে বিপুল অর্থ সম্পদ উপার্জনের তথ্য সামনে চলে আসছে। এতে দুটো ক্ষতি হচ্ছে। প্রথমত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দুর্ভোগের গল্পগুলো আড়ালে চলে যাচ্ছে আর দ্বিতীয়ত এই সব চিত্র দেখে মানুষের মধ্যে হতাশা ও বিরক্তিবোধ জন্ম নিচ্ছে।

এমনকী আগামীর ভবিষ্যত যে তরুণ প্রজন্ম তাদের মধ্যেও নানা ধরনের হীণমন্যতা তৈরি হচ্ছে। সৎভাবেও এ দেশে জীবন যাপন করা যায়- এ ভরসা প্রতিনিয়ত তারা হারিয়ে ফেলছে। ক্ষমতাসীন মহলের সাথে অবৈধ উপার্জনকারীর যোগসাজশ কিংবা নানা সময়ে দুর্নীতি ধরা পড়ে যাওয়ার পর এক পক্ষ যেভাবে অপর পক্ষকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে তা দেখে গোটা সিস্টেমের ব্যাপারেই যেন বিরক্তি তৈরি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যেমনটা দেখা যাচ্ছে; দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত অধিকাংশ রাঘব বোয়ালরাই সিস্টেমের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিচারের আওতার বাইরে থাকছে আর আইনের শতভাগ কঠিনতম প্রয়োগটা হচ্ছে আমজনতার ওপর। দুর্নীতির প্রভাবে দেশের রাজভান্ডার রীতিমতো অর্থশূণ্য হয়ে পড়েছে। আর সে ঘাটতি পূরণে নিত্যনতুন করারোপ করা হচ্ছে জনতার ঘাড়ে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয়ের পাশাপাশি করারোপের বোঝায় মানুষ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

যে পন্য আপনি বছর খানেক আগে আড়াইশ টাকায় কিনেছেন তা এখন ৫শ’ টাকাতেও পাওয়া যায় না। যে কোনো উপকরণ নিয়েই ভাবুন না কেন, গত কয়েক বছরের ব্যবধানে দাম অন্তত দ্বিগুণ হয়নি- এমনটা পাওয়া যাবে না। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ বিষয়গুলো কখনোই আলোচিত হয় না। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ধরনের ফ্যান্টাসির জগত তৈরি করা হয়েছে। সেখানে জাতীয় আন্তর্জাতিক বড়ো বড়ো ইস্যু নিয়ে যেমন কিছু লোকের আলাপন থাকে, কেউ হয়তো নিজেদের দল বা সংগঠনের সমালোচনায় ব্যস্ত, কেউ বা খেলাধুলা নিয়ে তর্কে জড়িয়ে আছে আবার কারো হয়তো এগুলোর কোনোটা নিয়েই কোনো আগ্রহ নেই। তারা হয়তো একদমই অরাজনৈতিক একটি জীবন যাপনে অভ্যস্ত। তারা ঘুরোঘুরি, সুন্দর জায়গায় গিয়ে ছবি তোলা কিংবা টিকটক বা রিল করার মতো কাজে সময় বের করছে। একটি বাবা-মা হয়তো প্রাণপণ চেষ্টা করেও সংসারের বোঝা টেনে নিতে পারছে না, অথচ তাদেরই ছেলে বা মেয়ের হয়তো পিতামাতার এই সংগ্রাম নিয়ে কোনো মাথাব্যাথাই নেই। সে তার নিজস্ব জগত নিয়েই ব্যস্ত থাকছে। তার চাহিদা পূরণ না হলেই শুধু তার সমস্যা হয়, অন্য কিছু নিয়ে নয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষের ভোগান্তি ও দুর্ভোগের বিষয়গুলো আলোচিত না হওয়া আমাদের সামগ্রিক দুর্বিষহ পরিস্থিতির একটি বড়ো কারণ। কেউ কেউ মনে করেন, যাপিত জীবনে যেসব সংকট নিয়ে আছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বরং এর বিপরীত চিত্র থাকলেই ভালো। তাহলে বরং জীবনে দু’রকমের টেস্ট পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে এই দ্বৈতরূপ আমাদের জন্য সমস্যাই তৈরি করছে। অফলাইন ও অনলাইন জীবনের বিপরীত বাস্তবতা আমাদের জীবনে সংকট আরো বৃদ্ধি করছে। ফ্যান্টাসি থেকে বাস্তবতায় ফেরা মাত্রই আমরা হাঁপিয়ে উঠছি। শুধু তাই নয়, নিত্যদিনের সংকট নিয়ে যেভাবে আমাদের ফুঁসে ওঠার কথা ছিল তাও আমরা পারছি না- এই বৈপরীত্যের কারণেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিঃসন্দেহে জনমত তৈরিতে ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এতে করে বিগত কয়েক বছরে দেশে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে তা হলো- আমাদের এখন জনমতটাই শুধু আছে, কিন্তু কর্মসূচি বা নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দুর্বলতা অনেক বেশি প্রকট হয়েছে।

সার্বিক বিষয়াবলি নিয়ে জনগণ যে ক্ষেপে আছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু সে ক্ষোভগুলো কোনো ফলাফল এনে দিতে পারছে না। এ মুহূর্তে ঢাকা মহানগরের প্রাণকেন্দ্র তথা শাহবাগ ও ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় এলাকায় দুটো আন্দোলন চলমান রয়েছে। শাহবাগে চলছে কোটা পুনর্বহালের রায়বিরোধী বিক্ষোভ এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়সহ পাবলিক সব বিশ^বিদ্যালয়গুলোতে চলছে কর্মবিরতি। দু’দিন আগের একটি খবরে দেখলাম, একজন সাংবাদিক আন্দোলনরত একজন শিক্ষককে ফোন দিয়ে প্রশ্ন করছেন যে, ‘সরকারের দিক থেকে কোনো আশ^াস দেওয়া হয়েছে কিনা?’ আন্দোলনরত শিক্ষক বললেন, ‘আশ^াস তো দূরের কথা- এ কয়দিনে কেউ আমাদের কোনো খোঁজও নেয়নি।’ শিক্ষকদের এই আন্দোলনে বলির পাঠা হয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষার্থীদের বলির পাঠা বানানোর নেপথ্যেও আন্দোলনরত শিক্ষকদের যুক্তি আছে। একজন শিক্ষিকাকে বলতে শুনলাম, ‘ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত সংহত ও নিরাপদ করার জন্যই নাকি তারা এই আন্দোলন করছেন।’ এই আন্দোলনের সমাধানে বা ছাত্রছাত্রীদের কল্যাণে কোনো চেষ্টা প্রশাসনের তরফ থেকে নেই। 

আরেকটি ভিন্ন বাস্তবতার দিকে একটু নজর দেয়া যাক। আমাদের পাবলিক বিশ^বিদ্যালয়ের হলগুলোতে বসবাসরত ছাত্রছাত্রীদের জীবন ভয়াবহ। মাঝে মাঝে এসব হলের ভেতরকার কিছু ছবি প্রকাশ্যে আসে। দেখা যায়, কারাগারের মতো গণবিছানা করে ছাত্রছাত্রীরা ঘুমুচ্ছে। কারো খাট বা চকি কিছু নেই। একজনের ওপর যেন আরেকজন শুয়ে আছে। কাপড় রাখার জায়গা নেই। আবাসিক হলগুলোর ভবনগুলোতেও ফাটল ধরেছে। মাঝে মাঝেই এগুলো নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। হলগুলোর খাবারের মান মারাত্মক মাত্রায় নেমে গেছে। পুষ্টিকর বা সুস্বাদু খাবার তো দূরের কথা, খাবারসদৃশ যেনতেন খেয়েই থাকতে হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদেরকে। এগুলো নিয়ে বিশ^বিদ্যালয়ের এই শিক্ষকেরা বা প্রশাসন কখনো সরব হয়েছেন বলে আমার চোখে পড়েনি।

কোটা বিরোধী আন্দোলন আগেও একবার হয়েছিল। সে আন্দোলন সফল হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে, সরকার কোটাপ্রথা বাতিল করে দিয়েছিল। ঐ আন্দোলনে যারা মাঠে ছিল, তাদের শীর্ষ নেতারা বিশ^বিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের মূলধারার রাজনীতিতেও চলে এসেছে। কিন্তু এত বছর পর আবার আদালতের নির্দেশে কোটা প্রথা ফিরে আসার খবরে ছাত্রছাত্রী বিশেষ করে সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। বাংলাদেশের মতো একটি স্বল্প আয়ের দেশ যেখানে বেকারের সংখ্যা অনেক- এরকম একটি দেশে কোটা প্রথা এক ধরনের বিলাসিতা। মূলত বেশ কিছু আবেগকে পুঁজি করে বাংলাদেশের রাজনীতি কেন্দ্রীভূত হয়ে আসছে অনেক বছর ধরেই। এই আবেগগুলোকে রাজনীতিবীদেরা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার জন্যই ব্যবহার করেন। আবেগ নির্ভর এই রাজনীতির একটি পরিণতি হলো কোটাপ্রথা। যদি সাধারণ ও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করা হয় তাহলে এই কোটা নিঃসন্দেহে গণমানুষের স্বার্থবিরোধী।

আবার নগর জীবনের দিকে যদি তাকাই। সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাত বেড়েছে। শহরের নি¤œাঞ্চলগুলো অল্প বৃষ্টিতেই যথারীতি পানিবদ্ধ হয়ে পড়ছে। এই এলাকাগুলোর বাসিন্দারা এই অবস্থায় বসবাস ও চলাচল করার ক্ষেত্রে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তারপরও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন নেই। সবচেয়ে পরিতাপের বিষয় হলো, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা সময় ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড এই সরকারের। নাগরিক হিসেবে আমরা ধারণা করেছিলাম, নগর জীবনের পুরাতন সমস্যাগুলোর সমাধান এই মেয়াদে হবে। কেননা এতটা ধারাবাহিকতা এর আগে কোনো সরকারের ছিল না। আগে দেখা যেতো একটি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এসব দুর্ভোগের জন্য পূর্ববর্তী সরকারকে দায়ী করতো। এভাবেই দুই তিন বছর চলে যেতো। তারপর রাজনৈতিক উত্তেজনায় আবার সব ধামাচাপা পড়ে যেতো। কিন্তু বর্তমান সরকারের সে সুযোগ নেই। তারা নিজেরাই টানা ১৫ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে তাদের আর বিগত কোনো সরকারের ওপর দায় চাপানোর অবকাশ নেই।

তাই মহানগরগুলোতে জেঁকে বসা নাগরিক সমস্যাগুলোর দিকে তাদের সমাধান করার সুযোগ ছিল। বিশেষ করে অল্প বৃষ্টিতেই শহরের নি¤œাঞ্চলগুলোর জলাবদ্ধতা, মশার প্রজনন ও উৎপাদন কিংবা শীতকালে গ্যাসের পাইপ সংকুচিত হওয়ার কারণে সৃষ্ট গ্যাস সংকট, ছাত্রছাত্রীদের হল সংকট, হলের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, নগরীর গ্যাসের পাম্পগুলোতে গ্যাসের অভাবের মতো সমস্যাগুলো এই সরকারের পক্ষে দূর করা সম্ভব ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় মসনদে থাকার পরও ৫ বছর মেয়াদি রাজনৈতিক সরকারের মতো সাময়িক ইস্যু নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকায় এ সংকটগুলোর কোনো সুরাহা হয়নি।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের হাহাকারগুলো তাই চাপা পড়ে যাচ্ছে। ছোট্ট দেশ অথচ অসংখ্য মানুষ হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত সমস্যা সামনে আসছেই। তাই কোনো একটি সংকট বা বিশেষ কোনো জনগোষ্ঠীর হাহাকারের দিকে খুব বেশি সময় নিয়ে নজর দেয়া যাচ্ছে না। 

নতুন ইস্যুর নীচে পুরনো ইস্যু পিষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকী গণমাধ্যমগুলো যে ফলোআপ নিউজ করবে- সেটুকু সময় বা সুযোগও অনেক সময় পাওয়া যায় না। তাই কোনো একটি সংকট ঘটনাচক্রে একবার আলোচিত হলেও তার সুরাহা কীভাবে ঘটলো- তা আর কারো বিবেচনাতেও থাকছে না। এভাবে সমাধান না হতে হতে সমস্যার পরিমাণ যেমন বাড়ছে তেমনি পূর্ববর্তী সমস্যাগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি গভীর ও প্রকট হয়ে ধরা দিচ্ছে। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যেভাবে নিরবে নিঃশব্দে কান্না করছে- তা আর কোথাও এভাবে ঘটে কিনা আমার জানা নেই। শব্দহীন হওয়ায় এ কান্না হয়তো আমাদের কানে পৌঁছে না, তাই কর্তৃপক্ষের পক্ষেও এই সংকটগুলো পাশ কাটিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

সামগ্রিক অর্থে একটি জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা জনদুর্ভোগের কোনো নিরসন ঘটবে না। আমরা কেবল নির্বাচিত সরকার এবং নির্বাচনের পক্ষেই সরব হচ্ছি। কিন্তু বাংলাদেশে আগেও নির্বাচন হয়েছে। বিরোধী দল পার্লামেন্টে যাওয়ার পরও সেই পার্লামেন্টকে আমরা অকার্যকর অবস্থায় দেখেছি। এখন যেমন অন্য দেশের সাথে চুক্তিগুলোকে জনগণের সামনে খোলাসা করা হয় না, এগুলো নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা হয় না- অতীতেও এই চর্চা ছিল; হয়তো এতটা ভয়াবহ মাত্রায় ছিল না। জনগণের ইস্যুগুলো বাংলাদেশের সরকারগুলো এড়িয়ে যেতে পারে, দুর্যোগকালীন সময়েও মানুষের পাশে না দাঁড়িয়েও ক্ষমতায় টিকে যেতে পারে কারণ জনগণ এগুলোতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সরকার বা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছাড়াই বেঁচে থাকার সক্ষমতা এ দেশের মানুষ আল্লাহর রহমতে অর্জন করেছে। আর সে সুযোগ নিয়েছে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো। জনগণের সামনে জবাবদিহিতা করার মানসিকতা বা দৃষ্টিভঙ্গিই তাদের ভেতর তৈরি হয়নি।

আমাদের একটি স্বচ্ছ, অংশীদারিত্বমূলক ও জবাবদিহিতার মানসিকতার মানসিকতাসম্পন্ন একটি জনবান্ধব প্রশাসন প্রয়োজন। যারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করবেন। জনগণের সামনে জবাবদিহিতা করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন। জনগণের সরলতাকে যারা বোকামি হিসেবে বিবেচনা করবেন না। তাই আগামীতে যারা শাসনভার নিতে আগ্রহী এবং সাম্প্রতিক সময়ে যারা ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি করেন, তারা যদি জনগণকে নতুন কোনো ভোরের স্বপ্ন দেখাতেই চান, তাহলে সবার আগে আদর্শিক ও নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন একটি রাজনীতি জনগণের সামনে হাজির করতে হবে। একই ধরনের বা গতানুগতিক ব্লেমগেমের রাজনীতি দেখতে দেখতে জনগণ এখন সত্যিই বড্ড ক্লান্ত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ