সোমবার ১৭ জুন ২০২৪
Online Edition

দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী থাইরয়েডজনিত সমস্যায় ভুগছে

সংগ্রাম অনলাইন: আজ বিশ্ব থাইরয়েড দিবস। ২০০৯ সাল থেকে সারা বিশ্বে এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে না হলেও থাইরয়েড রোগ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো গত কয়েক বছর ধরেই দিবসটি পালন করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় দেশের মানুষের কাছে থাইরয়েড সমস্যাজনিত প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে থাইরয়েড টাস্কফোর্স, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি (বিইএস)।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে আজ ‘গর্ভাবস্থা এবং প্রসবোত্তর সময় থাইরয়েড রোগ নির্ণয় এবং ব্যবস্থাপনার জন্য বিইএস নির্দেশিকা’ প্রচারসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সেমিনারের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী থাইরয়েডজনিত সমস্যায় ভুগছে। অথচ তাদের অর্ধেকের বেশিই তা জানে না। বাংলাদেশে থাইরয়েড সমস্যার সব ধরনকে এক সঙ্গে হিসাব করলে তা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশের কাছাকাছি হবে। ভারতের অবস্থাও অনেকটা এমনই। প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের প্রায় ২ শতাংশ এবং পুরুষদের প্রায় শূন্য দশমিক ২ শতাংশ হাইপারথাইরয়েডিজমে (থাইরয়েড হরমোনের বৃদ্ধিজনিত সমস্যা) ভোগে।

তারা আরও বলেন, থাইরয়েড গ্রন্থি দেখতে প্রজাপতি সদৃশ এবং এটি শ্বাসনালির সামনে থাকে। যদিও এটি একটি ছোট গ্রন্থি, কিন্তু এর কার্যকারিতা ব্যাপক। থাইরয়েড গ্রন্থি কর্র্তৃক নিঃসৃত হরমোন মানব পরিপাক প্রক্রিয়ায় অন্যতম ভূমিকা পালন করে। ভ্রমণ অবস্থা থেকে আমৃত্যু থাইরয়েড হরমোনের প্রয়োজন অপরিহার্য।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বারডেমের পরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ফারুক পাঠান; থাইরয়েড টাস্কফোর্সের সমন্বয়ক, বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এন্ডোক্রাইনোলজি ও মেটাবলিজম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম এবং বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির সভাপতি (নির্বাচিত) ও বারডেম হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারিয়া আফসানাসহ হরমোন বিশেষজ্ঞরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ